নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ
সৌদি ছেলেদের ইসলামিক নাম - সৌদি মুসলিম ছেলেদের নাম অর্থসহসাধারণত শিশুর জন্ম নেয়ার পর শিশুর নাম রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। কেননা শিশুর একটি সুন্দর নাম অনেক কিছুই বহন করে। তবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে ইসলামিক নাম রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ শিশুর একটি ইসলামিক নামের জন্যই কিন্তু বেহেস্তের দরজাও খুলে দিতে পারেন মহান আল্লাহতালা। তাই অবশ্যই মুসলমানদের ক্ষেত্রে ইসলামিক নাম রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। কেননা একটি ইসলামিক সুন্দর নাম একটা শিশুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয় বিশেষ করে মুসলমানদের জন্য ইসলামিক নাম রাখা, যেন তার ইসলামের প্রতি ও ধর্মের প্রতি অনুগত প্রকাশ পায়। ঠিক তেমনি সওয়াবও হয়। চলুন তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে আজকের আর্টিকেলের মূল আলোচনা শুরু করা যাক। আপনারা যারা নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ বিস্তারিতভাবে জানতে চান তারা অবশ্যই আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
সূচিপত্র: নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ
- নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ
- সর্বাপেক্ষা সুন্দর নাম
- সর্বাধিক ঘৃণ্য নাম
- ভালো নামের সুফল
- মন্দ নামের কুফল
- নামের বিকৃতি সাধন
- শেষ কথা
নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ
একটি শিশু জন্ম নেয়ার পর নাম রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। কারণ একটি শিশুর সুন্দর নাম তার সারা জীবনে অনেক কিছুই বহন করে থাকে। একটি শিশুর ইসলামিক সুন্দর নাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে মুসলমানদের জন্য ইসলামিক নাম রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা একটি সুন্দর ইসলামিক নাম রাখার কারণে আল্লাহ তা'আলা চাইলে একজন পাপী বান্দাকেও বেহেশতে নিয়ে যেতে পারেন। তাই সকল মুসলমানদের উচিত একটা নবজাতক শিশুর সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা। চলুন তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে আজকের মূল আলোচনা নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ জেনে নেই।
নং, ,নাম, ,নামের অর্থ,
১. ইব্রাহিম- নবীর নাম
২. ইরফান- জ্ঞান, বিজ্ঞান
৩. ইকতিদার- ক্ষমতা, প্রভাব
৪. ইলতিমাস- প্রার্থনা
৫. ইলহাম- অনুপ্রেরণা
৬. ইশরাক- প্রভাব
৭. ইরতিজা- আশা
৮. ইজলাল- সম্মান
৯. ইতমাম- পরিপূর্ণতা
১০. ইততেয়াজ- প্রয়োজন
১১. আবরার- ন্যায়বান
১২. আহমদ- অতি প্রশংসনীয়
১৩. আজমল- অতি সুন্দর
১৪. আবসার- দৃষ্টি
১৫. আহরার- সোজা সরল
১৬. আবিদ- এবাদতকারী
১৭. আরিফ- পবিত্র, জ্ঞানী
১৮. আকিল- বিচক্ষণ
১৯. আরহাম- সবচেয়ে সংবেদনশীল
২০. আরজু- ইচ্ছা বাসনা
২১. আজফার- অতুলনীয়
২২. আরশাদ- সবচাইতে সৎ
২৩. আরমান- ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা
২৪. আহসান- উকৃষ্টতম
২৫. আজিম- মহান
২৬. আজিজ- ক্ষমতাবান
২৭. আসলাম- নিরাপদ
২৮. আশহাব- বীর
২৯. আকরাম- অতিদানশীল
৩০. আকবর- মহান
৩১. আলমাস- হীরা
৩২. আমজাদ- সম্মানিত
৩৩. আনসার- সাহায্যকারী
৩৪. আমের- শাসক
৩৫. আনিস- বন্ধু
৩৬. আশিক- প্রেমিক
৩৭. আফজাল- অতি উত্তম
৩৮. আতিক- সম্মানিত
৩৯. আতেফ- দয়ালু
৪০. আকিফ- উপাসক
৪১. বরকত- সৌভাগ্য
৪২. বাবুর- সিংহ
৪৩. বখতিয়ার- সৌভাগ্যবান
৪৪. বাসিত- স্বচ্ছলতা দানকারী
৪৫. বাকি- চিরস্থায়ী
৪৬. বজলু- অনুগ্রহ
৪৭. দাইয়ান- বিচারক
৪৮. দিনার- স্বর্ণমুদ্রা
৪৯. দবির- চিন্তাবিদ
৫০. দিলির- সাহসী
৫১. ফাহিম- বুদ্ধিমান
৫২. ফায়সাল - বিচারক
৫৩. ফাতিন- সুন্দর
৫৪. ফুয়াদ- অন্দর
৫৫. ফারহান- প্রফুল্ল
৫৬. ফজল- অনুগ্রহ
৫৭. ফরিদ- অনুপম
৫৮. ফাহাদ- সিংহ
৫৯. গফুর- মহাদয়ালু
৬০. গোফরান- ক্ষমা
৬১. হাসিন- সুন্দর
৬২. হাবিব- বন্ধু
৬৩. হাফিজ- রক্ষাকারী
৬৪. হামিদ- প্রশংসাকারি
৬৫. হাসান- উত্তম
৬৬. হালিম- ভদ্র
৬৭. হামিম- বন্ধু
৬৮. হানিফ- ধার্মিক
৬৯. হায়াত- জীবন
৭০. জাহিদ- সন্ন্যাসী
৭১. জাফর- বিজয়
৭২. জহুর- প্রকাশ
৭৩. জাকি- বুদ্ধিসম্পন্ন
৭৪. তামজিদ- প্রশংসা
৭৫. তানভীর- আলোকিত
৭৬. তারিক- নক্ষত্রের নাম
৭৭. তাফাজ্জল- বদান্যতা
৭৮. তানজিম- সহকারী
৭৯. তালাল- প্রশংসনীয়
৮০. তাজওয়ার- রাজা
৮১. রাকিব- অশ্বারোহী
৮২. রাহাত- স্বাচ্ছন্দ্য
৮৩. রশিদ- সঠিক পথে পরিচালিত
৮৪. রাফাত- দয়া
৮৫. রাহমাত- দয়া
৮৬. রাহমান- দয়ালু
৮৭. রাব্বানী- স্বর্গীয়
৮৮. রাহিম- দয়ালু
৮৯. রফিক- বন্ধু
৯০. রায়হান- সুগন্ধি ফুল
৯১. শাহরিয়ার- রাজা
৯২. শামীম- সুঘ্রাণ
৯৩. সাদিক- সত্যবান
৯৪. শিহাব- উজ্জ্বল তারকা
৯৫. শাকিল- সুপুরুষ
৯৬. শফিক- দয়ালু
৯৭. শাদাত- সৌভাগ্য
৯৮. সাদমান- আনন্দিত
৯৯. শাহাদ- মধু
১০০. মুশফিক- দয়ালু
সর্বাপেক্ষা সুন্দর নাম
সর্বাপেক্ষ সুন্দর এবং পছন্দীয় নাম হলো আম্বিয়া, আউলিয়া ও বুজুর্গদের নামে। কেননা রাসূল (সা:) বলেছেন তোমরা নবীদের নামে নাম রাখো, ফেরেশতাদের নামে নাম রাখো। সাধারণত আগে সাহাবায়ে কেরাম সন্তানদের নাম নবী ও নেক্কার বুজুর্গদের নামে রাখতে পছন্দ করতেন।
আরও পড়ুন: শীতে শিশুর যত্নে ১০ খাবার | বাচ্চাদের জন্য সেরা শীতকালীন খাবার
তবে উল্লেখ্যযোগ্য কোরআন হাদিসের বিপুল বর্ণনা থেকে সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে যে মহান রব্বুল আলামীনের কাছে সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময় নাম হলো ,আব্দুল্লাহ, এবং ,আব্দুর রহমান,। যখন বনী ইসরাঈলের লোকেরা মহীয়সী নারী মারিয়াম (আ:) এর ওপর মিথ্যা বিচারের অপবাদ দিয়েছিল তখন ঈসা (আ:) দোলনার তুলতুলে শয্যা থেকে ঘোষণা করলেন ,ইন্নি আব্দুল্লাহ, আমি তো আল্লাহর বান্দা আর এই মর্মে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন। মহান আল্লাহতালার কাছে সর্বাধিক সুন্দর নাম ও সবচেয়ে প্রিয় নাম হল আব্দুল্লাহ এবং আব্দুর রহমান।
সর্বাধিক ঘৃণ্য নাম
এমন কিছু নাম রয়েছে যেগুলো মহান রব্বুল আলামীনের কাছে খুবই ঘৃণিত আর এগুলো পরিহারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)। হাদীস শরীফে এসেছে কিছু কিছু নাম রাখা একেবারেই যাবে না যেমন হারব (অর্থ যুদ্ধ), আসরাম (অর্থ কর্তনকারী), মুররা (অর্থ তিক্ত), এসব বাজে নামের কথা হাদীস শরীফে এসেছে।
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) থেকে বর্ণিত রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আসিয়া (অর্থ বিদ্রোহী বা পাপী) এই নাম পরিবর্তন করে তোমরা জামিলা নাম রাখো জামিলা (অর্থ সুন্দরী)।
ভালো নামের সুফল
সাধারণত একজন ব্যক্তির নাম তার স্বভাব চরিত্রের উপর ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কেননা একজন ব্যক্তির সুন্দর নাম দিয়ে সুন্দর জীবন শুরু হয়। ইমাম মালিক (রাহ.) থেকে বর্ণিত রাসূল (সাঃ) একটি দুগ্ধবতী ছাগলের দিকে তাকিয়ে বললেন, কে দোহন করবে এটা তখন একজন ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালো এবং সে বলল আমি, তখন প্রিয় নবী (সাঃ) বললেন তোমার নাম কি সেই ব্যক্তি উত্তরে জবাব দিল আমার নাম হারব (অর্থ যুদ্ধ)। তখন রাসুল (সাঃ) সেই ব্যক্তিকে বসতে বললেন।
আবার রাসূল (সাঃ) আরেক জন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করল এটা কে দোহন করবে তখন অন্য আরেকটি ব্যক্তি উঠে বলল আমি, তখন রাসুল (সাঃ) বললেন তোমার নাম কি সে ব্যক্তি জবাব দিল আমার নাম মুররা (অর্থ তিক্ত), তাকেও নবীজি বসতে বললেন। এরপর আবারও রাসূল (সাঃ) আরেকজন ব্যক্তি কে জিজ্ঞাসা করলেন কে এটা কে দোহন করবে তখন আরেকজন ব্যক্তি বললেন আমি দোহন করব, তখন রাসূল (সাঃ) সেই ব্যক্তির নাম জিজ্ঞাসা করলেন উত্তরে বলল আমার নাম ইয়াঈশ (অর্থ সুখী জীবন যাপনকারী), তখন রাসূল (সাঃ) সেই ব্যক্তিকে বললেন তাহলে তুমি দোহন করো।
সুতরাং বলা বাহুল্য অর্থ পূর্ণ নামের বরকতে একজন নববী নির্দেশ পালনের বিরল সৌভাগ্য অর্জন করলেন এবং অন্য দুজন ব্যক্তি বঞ্চিত হলেন শুধুমাত্র তাদের নামের অর্থ সুন্দর না হওয়ার কারণে। তাই অর্থ সহ সুন্দর নাম রাখা খুবই জরুরী।
মন্দ নামের কুফল
মন্দ নামের পরিণতি খুবই ভয়াবহ আর এর কারণেই আমরা মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ইত্যাদি এসব ধর্মীরা কখনো সন্তানদের নাম শয়তান, নমরুদ, আবু জাহেল, আবু লাহাব, ফেরাউন, হামান ইত্যাদি এসব নাম রাখিনা। সাইদ বিন মুসাইয়্যাব (রহ.) স্বীয় পিতা থেকে বর্ণিত করেন, তারা দাদা হুজুর (সাঃ) এর দরবারে উপস্থিত হলে রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন যে তোমার নাম কি তিনি উত্তর দিলেন আমার নাম হুজন (অর্থ বিষণ্নতা), তখন প্রিয় নবী (সাঃ) বললেন তোমার নাম পরিবর্তন করে সাহল রাখো সাহল (অর্থ সুখী), তখন সেই ব্যক্তি আবার রাসূল (সাঃ) কে বললেন হে আল্লাহর রাসূল আমি তো আমার পিতার নাম পরিবর্তন করতে পারি না। তখন সাইদ ইবনে মুসাইয়্যাব (রহ.) বলেন এরপর থেকে বিষণ্নতা আমাদের লেগেই থাকতো। সুতরাং সুন্দর নাম রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সুন্দর নাম একজন পাপী ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে রক্ষাও করতে পারে।
নামের বিকৃতি সাধন
কারো নাম যদি অসুন্দর অথবা নামের খারাপ অর্থ হয় তাহলে সেই নাম বদলে সুন্দর এবং অর্থপূর্ণ নাম রাখা মুস্তাহাব। মূলত এটা ফিকহ শাস্ত্রবিদদের অভিমত এবং এটা উম্মুল মুমিনিন আয়শা (রা.) এর মতে সুন্নত। আর কারো যদি নাম কুফরি ধরনের হয় তাহলে সেই নাম পরিবর্তন করা ফরজ। রাসূল (সাঃ) কারো মন্দ নাম দেখলে বদলে দিতেন এবং বদলানোর নির্দেশ দিতেন। কিন্তু ভালো নাম কে যদি কোন ব্যক্তি ব্যঙ্গ করে অর্থাৎ বিকৃতি করে কিংবা আংশিক নামে ডাকা মারাত্মক গুনাহ।
আরও পড়ুন: বাচ্চাদের বদ নজর থেকে বাঁচার উপায় | বদ নজর থেকে বাঁচার দোয়া
সূরা হুজুরীতে ,১১ নং, আয়াতে মহান রাব্বুল আলামিন বলেছেন, তোমরা একে অন্যকে মন্দ নামে ডেকো না কেননা ঈমানের পর মন্দ নামে ডাকা গর্হিত কাজ। যারা এ ধরনের আচরণ থেকে নিবৃত হয় না তারা হচ্ছে জালিম। অন্যত্র মহান আল্লাহতালা ব্যক্তির সুন্দরতম ও এবং ভালো অর্থপূর্ণ নাম সমসৃষ্টিকে যারা বিকৃত করে তাদেরকে বর্জনের নির্দেশ দিয়েছেন। আর এই সম্পর্কে ইরশাদ রয়েছে, উত্তম নামসমূহ শুধুমাত্র আল্লাহরই তোমরা তাকে সেই নামেই ডাকো। আর যারা নাম ব্যঙ্গ করে অর্থাৎ নাম বিকৃত করে ডাকে তাদের বর্জন করো, কেননা তাদের কৃতকর্মের ফল খুব তাড়াতাড়ি দেয়া হবে। সুতরাং নাম ব্যঙ্গ- বিকৃতির গুনাহ থেকে নিজেরা বাঁচতে হবে এবং বাঁচতে হবে সমাজ ও জাতিকে, তাহলে আমরা এ সকল গুনাহ থেকে বাঁচতে পারব।
শেষ কথা
প্রিয় ভিউয়ার্স,,, আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ। তাই আপনারা যারা নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ জানতে চেয়েছেন তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ইতিমধ্যে নবজাতক শিশুর ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ আলোচনা করেছি। এছাড়াও আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে সর্বাপেক্ষা সুন্দর নাম, সর্বাধিক ঘৃণ্য নাম, ভালো নামের সুফল, মন্দ নামের কুফল, এবং নামের বিকৃতি সাধন ইত্যাদি এই বিষয় সম্পর্কে আরো বিস্তারিতভাবে জানিয়েছি। আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি যদি আপনি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন।
এই ধরনের আরো গুরুত্বপূর্ণ এবং তথ্যমূলক আর্টিকেল নিয়মিত পড়তে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে থাকুন। কেননা আমাদের এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের তথ্যমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। আমাদের আজকের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শাকিল বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url